১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬- এ “মানহানি”, “হেয়প্রতিপন্ন করা”, “বুলিং”, “গুজব” ও “অপতথ্য”-সংক্রান্ত অপরাধসমূহ এবং অনলাইন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ ও ব্লক করার ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা সম্প্রসারণের প্রস্তাবে বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছে ব্লাস্ট। তাই ব্লাস্ট প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬ (সিপিএ)-এ সংশোধনের আহ্বান জানাচ্ছে।
গুরুতর অনলাইন সহিংসতার ভুক্তভোগী নারী, শিশুসহ অন্যদের অধিকতর সুরক্ষাকে ব্লাস্ট সমর্থন করে। তবে অনলাইন সহিংসতা থেকে জনসাধারণকে রক্ষার বিষয়টি কখনো বৈধ সমালোচনা, সাংবাদিকতা, ব্যঙ্গ, রাজনৈতিক বক্তব্য বা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিতর্ককে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার কারণ হতে পারে না।
ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে নিরাপদে প্রয়োগের জন্য এসব বিধান অত্যন্ত বিস্তৃত ও অনির্দিষ্ট। ফলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (আইসিটিএ) , ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ (ডিএসএ) এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ (সিএসএ)-এর অধীনে যে গুরুতর সমস্যাগুলো দেখা দিয়েছিল, সেগুলোর পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি রয়েছে।
সিএসএ বাতিল করে ২০২৫ সালে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ প্রণীত হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়ে সিপিএ তে পরিণত হয়। গৃহীত সিপিএ প্রণয়নের পূর্বে আইসিটিএ, ডিএসএ, এবং সিএসএ বহু সময় ধরে সমালোচিত হয়েছিল। এসব আইনের ব্যাপক পরিধি ও দমনমূলক বিধান এবং রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষ ও ভিন্নমতের কণ্ঠস্বরের বিরুদ্ধে মামলা ও নিপীড়নে এই আইন গুলোর ব্যবহার নিয়ে নাগরিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ জানিয়ে আসছিল, এর মধ্যে ছিল সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের মতো দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী এবং পরবর্তীকালে কোভিড-১৯-এর সময় স্বাস্থ্য অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ব্যক্তিরাও।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তীকালে আনা পরিবর্তনগুলোর লক্ষ্য ছিল এসব উদ্বেগের সমাধান করা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা জোরদার করা। এমনকি আইনের প্রস্তাবনায়ও ঘোষিত উদ্দেশ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার খর্ব করার কারণে পূর্ববর্তী আইনটি রহিত করা হয়েছিল। সেই সাথে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়-এর তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদন, প্রাক্তন জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদকের বার্তা ও গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রাসঙ্গিক সুপারিশেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের কথা গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছে।
ধারা ২৫ থেকে ‘মানহানি’ ও ‘হেয়প্রতিপন্ন করা’ বাদ দিতে হবে
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৯৯ ধারায় মানহানি ইতোমধ্যেই একটি ফৌজদারি অপরাধ। তা স্বত্তেও প্রস্তাবিত বিধানে দণ্ডবিধির সংজ্ঞার তুলনায় অতিরিক্ত বিষয় যুক্ত করে অনলাইনের জন্য পৃথক অপরাধ সৃষ্টি করা হলে গঠনমূলক সমালোচনা, মতামত, ব্যঙ্গ, সাংবাদিকতা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রবণতা বাড়তে পারে।
পূর্বে ডিজিটাল আইনে অধীন মানহানির বিধানের অপব্যবহারের নজীর রয়েছে।
প্রস্তাবিত “হেয়প্রতিপন্ন করা”-সংক্রান্ত অপরাধ আরও বেশি উদ্বেগজনক। এটি কোনো ব্যক্তির মর্যাদা, সম্মান, সুনাম বা সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করে বলে বিবেচিত বক্তব্যকেও সম্ভাব্যভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে; অথচ ফৌজদারি আচরণ ও বৈধ সমালোচনার মধ্যে কোনো সুস্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়নি, বিশেষ করে রাজনীতিবিদসহ জনপরিচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড মানহানির দায়ে কারাদণ্ড দেওয়ার পরিবর্তে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষার পক্ষে। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিটি মানহানির শাস্তি হিসেবে কারাদন্ড যথাযথ নয় বলে স্বীকার করে একে ফৌজদারী অপরাধের আওতামুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। ওএইচসিএইচআর-এর তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে মানহানি-সংক্রান্ত বিধানের অধীনে গ্রেপ্তার, তল্লাশি, জব্দ ও নজরদারির অতিরিক্ত বিস্তৃত ক্ষমতা সীমিত করা এবং এসব ক্ষমতার ওপর যথাযথ বিচারিক তদারকি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেন। সেইসাথে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন মানহানি-সংক্রান্ত বিধান বাতিলের সুপারিশ করেন। তাই ব্লাস্ট ধারা ২৫ থেকে মানহানি ও ‘হেয়প্রতিপন্ন করা’—উভয়টিই বাদ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
ধারা ২৫—বুলিংয়ের লক্ষ্য হতে হবে গুরুতর অনলাইন সহিংসতা, বৈধ মতবিরোধ এর লক্ষ্য হতে পারে না
নারী ও শিশুদের ওপর প্রতিনিয়ত অনলাইন সহিংসতা, হুমকি প্রদান ও নিপীড়নের ফলে যে গুরুতর ক্ষতি হয়, ব্লাস্ট তা স্বীকার করে।
তবে প্রস্তাবিত “বুলিং”-এর সংজ্ঞা ফৌজদারি অপরাধের জন্য অত্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে যেভাবে এ বিধানটি প্রণীত হয়েছে, তাতে রাজনৈতিক প্রচারণা, ব্যঙ্গ, ভোক্তার অভিযোগ, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, ভিন্নমত এবং মতপ্রকাশের অন্যান্য বৈধ ধরনও শুধুমাত্র এ কারণে এর আওতায় আসতে পারে যে, সেগুলো মানসিক পীড়া, ভয়, বিচ্ছিন্নতা বা সামাজিক অস্বস্তি সৃষ্টি করে।
বুলিংকে অপরাধ হিসেবে রাখা হলে, এর পরিধি সুস্পষ্টভাবে সীমিত করে কেবল এমন ইচ্ছাকৃত এবং বারবার সংঘটিত বা ধারাবাহিক ডিজিটাল আচরণের মধ্যে রাখতে হবে, যার মধ্যে গুরুতর হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা লক্ষ্যভিত্তিক হয়রানি রয়েছে এবং যা এর প্রকৃতি ও প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়িত হবে। এই বিধান থেকে সমালোচনা, ব্যঙ্গ, সাংবাদিকতা, রাজনৈতিক বক্তব্য, অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচার এবং মতপ্রকাশের অন্যান্য বৈধ ধরনকে স্পষ্টভাবে বাদ দেয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে এটিও সুনির্দিষ্ট করতে হবে যে, কোনো ব্যক্তির আচরণের নিছক সমালোচনা বা ব্যঙ্গ কিংবা ভিন্নমত পোষণ বুলিং হিসেবে গণ্য হবে না।
ধারা ২৬ক বাতিল করা: গুজব’ ও ‘অপতথ্য’- এর অস্পষ্ট সংজ্ঞা
ব্লাস্ট প্রস্তাবিত ধারা ২৬ক নিয়ে বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। এই ধারায় অমর্থিত বা অযাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে সৃষ্ট ‘গুজব’কে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
যাচাই না করা তথ্য মানেই মিথ্যা তথ্য নয়। জরুরি অবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মানবাধিকার সংকট ও দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনার সময় কোনো তথ্য তাৎক্ষণিক ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে। এমন তথ্যকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হলে প্রকৃত জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেদন করতে সাংবাদিক, গবেষক ও নাগরিকেরা নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
প্রস্তাবিত ‘মিথ্যা’, ‘বিকৃত’ ও ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্যের ধারণাগুলোও স্পষ্ট নয়। প্রস্তাবিত সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান সমস্যাটিকে আরও গুরুতর করবে ।
পূর্ববর্তী সাইবার আইনগুলোর অধীনে ‘মিথ্যা’ তথ্যের ওপর অস্পষ্ট বিধিনিষেধের প্রভাব বাংলাদেশ ইতোমধ্যে প্রত্যক্ষ করেছে। বৈধ মতপ্রকাশ সীমিত করার সম্ভাবনার কারণে এসব বিধান ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিল। তাই ব্লাস্ট ধারা ২৬ক সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার এবং সঠিক ও সময়োপযোগী জনতথ্য, স্বচ্ছ সরকারি যোগাযোগ, স্বাধীন ফ্যাক্ট চেক, গণমাধ্যম-সাক্ষরতা, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও মিথ্যা তথ্য সংশোধনের কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
অনলাইন তথ্য-উপাত্ত ব্লক করার নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষমতা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য হুমকি
অনলাইন তথ্য-উপাত্ত অপসারণ, স্থানান্তর বা ব্লক করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর জন্য প্রস্তাবিত ধারা ৮-এর সংশোধন নিয়েও ব্লাস্ট গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো সরকারি কর্তৃপক্ষকে “অপতথ্য” ও গুজব, জাতীয় নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা, মানহানিকর বা রাষ্ট্রকে অপমানজনক হিসেবে বিবেচিত তথ্য-উপাত্ত” এর মতো বিস্তৃত কারণে তথ্য ব্লক বা অপসারণের অতিরিক্ত ও একতরফা ক্ষমতা দিতে পারে। নাগরিকেরা অনলাইনে কী দেখতে বা বলতে পারবেন, তা নির্ধারণে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে এরূপ ব্যাপক ক্ষমতা প্রদান করলে তা অপব্যবহারের গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।
একইসঙ্গে ব্লক করা তথ্য প্রকাশের বিদ্যমান স্বচ্ছতার বাধ্যবাধকতা বাদ দেওয়া এবং ট্রাইব্যুনালের অনুমোদনের বিদ্যমান সময়সীমায় পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়েও ব্লাস্ট সমানভাবে উদ্বিগ্ন। এটি সরকারের জবাবদিহিতা কমাতে পারে এবং বিচারিক সুরক্ষা দুর্বল করতে পারে। এসব সুরক্ষা কোনো আমলাতান্ত্রিক বাধা নয়। এগুলো সরকারের স্বেচ্ছাচারী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অপরিহার্য সুরক্ষা। তাই এসব সংশোধনী গ্রহণ না করে বিদ্যমান স্বচ্ছতা ও বিচারিক তদারকির ব্যবস্থা বজায় ও শক্তিশালী করার সুপারিশ করছে ব্লাস্ট।
পূর্বের সাইবার আইনগুলোর ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮; এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর অভিজ্ঞতা একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দেয়।
অনলাইন বক্তব্য-সংক্রান্ত ব্যাপক ও অস্পষ্ট ভাষায় প্রণীত অপরাধগুলো অপব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, সমালোচক ও সাধারণ নাগরিকদের মতপ্রকাশে নিরুৎসাহিতকারী প্রভাব ফেলেছিল।
নতুন নামে পূর্বের বিধানগুলো পুনরায় প্রবর্তন বাঞ্ছনীয় নয়
চূড়ান্ত আইনটি যেন প্রকৃত সাইবার হুমকি মোকাবিলা করার পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমালোচনা এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারকে সুস্পষ্টভাবে সুরক্ষিত করে, সরকারের প্রতি ব্লাস্ট সেই আহ্বান জানায়।
সরকারের প্রতি ব্লাস্টের আহ্বান:
ধারা ২৫ থেকে ‘মানহানি’ ও ‘হেয়প্রতিপন্ন করা’ বাদ দেওয়া প্রয়েজান।
নিরপেক্ষভাবে নিরূপণযোগ্য গুরুতর ক্ষতির মাত্রাকে উল্লেখ করে ধারা ২৫-এর বুলিং-সংক্রান্ত অপরাধের পরিধি কেবল গুরুতর, ইচ্ছাকৃত ও বারবার সংঘটিত ডিজিটাল হয়রানি, হুমকি বা নির্যাতনের মধ্যে সীমিত করা প্রয়োজন।
ধারা ২৬ক বাতিল করা এবং ‘গুজব’ ও ‘অপতথ্য’-এর মতো অস্পষ্ট শ্রেণিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব পরিত্যাগ করা আবশ্যক;
প্রস্তাবিত দণ্ডসমূহ পর্যালোচনা করা—যাতে সেগুলো প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক হয়;
অনলাইন তথ্য-উপাত্ত ব্লক ও অপসারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও বিচারিক তদারকি পুনর্বহাল এবং জোরদার করা দরকার;
অনলাইন তথ্য-উপাত্ত ব্লক বা অপসারণে সরকারি সংস্থাগুলোর অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা প্রয়োগ রোধ করা প্রয়োজন; এবং
চূড়ান্ত আইনটি যেন সাইবার নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার, উভয়ই সুরক্ষিত করে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বার্তা প্রেরক:
মুশফিকুর রহমান মারুফ,
সমন্বয়কারী- কমিউনিকেশন, ব্লাস্ট
ই-মেইল: communication@blast.org.bd
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন:
মনীষা বিশ্বাস,
আইনজীবী ও লিগ্যাল স্পেশালিষ্ট, ব্লাস্ট
ফোকাল, সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন এন্ড চিলড্রেন প্ল্যাটফর্ম
মোবাইল: ০১৮৬১-২৭৫৩৬২ ই-মেইল: manishab@blast.org.bd
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সমূহ:
- সাইবার আইনে ‘মানহানি’, ‘হেয়প্রতিপন্ন’ ও ‘গুজব’ বাদ চায় ব্লাস্ট (জাগোনিউজ২৪, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে অস্পষ্ট অপরাধ ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার ধারা বাতিলের দাবি ব্লাস্টের (দৈনিক আমাদের বার্তা, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে অস্পষ্ট অপরাধ ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার ধারা বাতিলের দাবি ব্লাস্টের (এজেন্সি বাংলাদেশ প্রেস-এবিপি, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ’ (দৈনিক ইনকিলাব, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে অস্পষ্ট অপরাধ ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার ধারা বাতিলের দাবি ব্লাস্টের (শিক্ষক বাতায়ন ব্লগ, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
- BLAST urges govt to remove vague offences from proposed cyber law (The Business Standard, 14 September 2026)
